মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে ও লজ্জাস্থান হেফাজত করে

ইসলাম কেন শুধুমাত্র নারীর স্বাধীনতার প্রশ্নে বিতর্ক উৎপাদন করে?

ইসলাম নারীদের নেতৃত্ব থেকে শুরু করে পোশাক, জীবনধারণ পদ্ধতি, ব্যক্তিগত বোধ, ধর্ম পালনের পদ্ধতি, উত্তরাধিকার, হজ ও ওমরাহ থেকে মসজিদে উপস্থিতি—সকল কিছুর প্রতিই নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, ইসলাম নারীদের মসজিদে উপস্থিতিতে নাজায়েজ ফতোয়ার সূত্রপাত করেছে।

কিন্তু কেন?

কোরআনে নবী মুহাম্মদ অবতীর্ণ করেছেন “মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে…” — কোরআন ২৪:৩০

এর পরের আয়াতে নারীদেরও দৃষ্টি সংযত রাখার নির্দেশ আছে (২৪:৩১)।

যৌন কামনা নিয়ন্ত্রণের এমন কঠোর নির্দেশনাও মুমিন মুসলমানদের নারীদের নিয়ে ফতোয়া জারি থেকে বিরত রাখতে পারছে না।

নবী মুহাম্মদ নারীদের নামাজ আদায় প্রসঙ্গে বলেন,

মহিলাদের মসজিদ তাদের ঘরের অন্দরমহল। [মুসনাদে আহমদ : ২৬৫৪২]

কিছু কেন কথিত এ ধর্মপ্রাণ মুসলিম, আখেরি পয়গম্বর ধূর্ত নবী মুহাম্মদের ইসলামের এত বিষনিষেধ ও বৈরিতা নারীদের ক্ষেত্রেই?

এর কারণ নারী দেহের প্রধান যৌন আকর্ষণের উদ্রেক হিসেবে নারীদের স্তন ও নারীদের নিতম্বকে নির্দেশ করে থাকে ইসলামী আলেম, ওলামা, পীর-মাশায়েখরা। যেহেতু সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কোনো প্রতিমূর্তি নেই, ধর্মপ্রাণ এই তৌহিদী মুসলমানের দৃষ্টিতে জান্নাতের অনন্ত সুখ আর ৭২ হুরের যৌন উত্তেজনাপূর্ণ ছবি উদ্বেলিত করে। যা অনিয়ন্ত্রিত।

নারীদের পর্দা প্রথার উদ্ভব শুধুমাত্র নারীদের ক্ষেত্রে মুসলমান পুরুষের নৈতিক পদস্খলনের জন্য। এর ব্যত্যয় ঘটেনি নবী মুহাম্মদের জীবনেও। নারী-আসক্তি ঐতিহাসিকভাবেই মুসলমানদের তাড়িত করত। যে লিপ্সুতা, আসক্তি ও চারিত্রিক বৈতরণী মুসলমান ও কোরআনও কলুষিত।

শুধুমাত্র মুসলমানের চরিত্রের কারণেই নারীরা মসজিদে উপস্থিত হতে পারে না। আজকের বাংলাদেশেও একই চিত্র। মাদ্রাসা ও হেফজখানায় ধর্ষণ ও বলাৎকার যেখানে বৈধতা পেয়েছে, ঠিক একইভাবে মসজিদগুলোও ধর্ষণাগারে পরিণত হবে। যেখানে ধর্মের নামে নারীদের ধর্ষণের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে।

কোরআনে তাই নবী মুহাম্মদ আয়াত নাজিল করে বলেন,

তাদের দৃষ্টি সংযত এবং সৌন্দর্যকে রুবি ও প্রবালের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

সূরা আর-রহমান (৫৫:৫৬–৫৮)

এবং এ নারীদের এই লিঙ্গপাল মুসলমানের হাত থেকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে বলা হয়েছে,

“প্রত্যেক পুরুষ জান্নাতির জন্য নিশ্চিতভাবে ৭২ হূর, যেখানে তাদের সাথে অবারিত যৌনতা উপভোগের সুযোগ।

‘আত-তিরমিজি ১৬৬৩’

এতকিছুর পরও এত লোভ-লালসা দেখানোর পরও কথিত মুসলিম নারীদের পর্দা, হিসাব-নিকাপ পড়িয়ে কালো বাদুড় বানিয়েও দিনের আলোতে মসজিদে উপস্থিত করানো যাচ্ছে না।

নিতম্ব উঁচু করে অবনত সিজদাহত চিত্র সেই উত্তেজক পদ্ধতিতে সঙ্গমের অনুকরণের স্মৃতি নিশ্চয়ই এই ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উন্মাদনা দেয়! এই নারীরা নামাজ আদায় করলে এই তৌহিদী মুসল্লিরাই এই দুনিয়াবী হুরিদের উপর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *